Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর, আহত ১০ ডিএমসি ডে-২০২৬’ উদ্বোধন করলেন...প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাকাউন্ট হ্যাক,হ্যাকাররা লিখল ‘চুরি করে জিতেছে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ম্যাচের টিকিটের দাম কমলো ৫২ শতাংশ ‘পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা শেখ মুজিবের ছিল না, তাই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি...স্পিকার ঢামেককে মানবিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান...ডা. জুবাইদার দ্বিতীয় যমুনা সেতু সারিয়াকান্দি বগুড়া-মাদারগঞ্জ, জামালপুর রুটে দ্রুত বাস্তবায়ন করুন...ছালজার রহমান মস্তুল ফুট ওভার ব্রিজটি মস্তুল ডুমনি মোড়ে সরানো প্রয়োজন- ইমরান হোসেন ব্যাপারী ফ্রান্সকে আগেই হুঁশিয়ারি দিলেন...লামিন ইয়ামাল বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন...ভিনিসিয়ুস
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা

জন্মশহর মাশহাদে চিরনিদ্রায় সমাহিত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ‎

আ জা আন্তর্জাতিক ডেক্স

প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ জুলাই,২০২৬, ০২:১৫ পিএম
জন্মশহর মাশহাদে চিরনিদ্রায় সমাহিত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ‎

ইরানে ৬ দিনের শোক অনুষ্ঠান শেষে সমাহিত হলেন ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ‎

গতকাল বৃহস্পতিবার ০৯ জুলাই  স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে ইরানের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় মাশহাদ শহরে ইমাম রেজা মাজারের কাছে দাফন করা হয়েছে তার মরদেহ।

শুক্রবার সকালে সরকারিভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে তেহরান।

‎এই মাশহাদ শহরেই ১৯৩৯ সালের ১৫ জুলাই জন্মেছিলেন খামেনি। মৃত্যুর পর এই শহরেই শায়িত হলেন তিনি।

খামেনির দাফনের সময় তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু তার মেজো ছেলে এবং ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে সেখানে দেখা যায়নি।

‎ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।

প্রথম দিনই নিহত হন আয়তুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন।

২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী, কন্যা, নাতি, এবং মোজতবা খামেনির স্ত্রীও নিহত হন, এবং মোজতবা নিজে হন গুরুতর আহত।

‎আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন ইরানে ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা।

১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লা খোমেনি।

১৯৮৯ সালে তার মৃত্যুর পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এ পদে আসেন এবং গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই পদেই ছিলেন তিনি। সর্বোচ্চ নেতার পদে আসীন হওয়ার আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন খামেনি।

‎বৃহস্পতিবার যখন খামেনির মরদেহ একটি ট্রাকে করে মাশহাদের জনাকীর্ণ সড়ক দিয়ে ইমাম রেজার মাজারের দিকে নেওয়া হচ্ছিল, সে সময় ট্রাকের দুই পাশে সাদা পাগড়ি পরা আলেমরা হাঁটছিলেন।

কালো পোশাক পরা শোকাহত লাখো মানুষ ইরানের জাতীয় পতাকা, খামেনির ছবি এবং বিপ্লবী স্লোগান–সংবলিত লাল প্ল্যাকার্ড হাতে শোকযাত্রায় অংশ নেন।

‎খামেনির দাফনের মধ্যে দিয়ে ইরানে গত ৬ দিন ধরে চলা রাষ্টীয় শোক অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটল।

এই শোক অনুষ্ঠানে খামেনির চার ছেলের মধ্যে ৩ জন উপস্থিত ছিলেন মোস্তফা খামেনি (বড় ছেলে), মাসুদ খামেনি (সেজো ছেলে) এবং মেইসাম খামেনি (ছোটো ছেলে)।

দাফনের সময় শেষ জানাজার নামাজে ইমামতি করেন বড় ছেলে মোস্তফা খামেনি।

বাকি দুই ছেলেও উপস্থিত ছিলেন, তবে মেজো ছেলে এবং বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ছিলেন না।

পুরো শোক অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনুপস্থিত ছিলেন তিনি। ‎ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কা এবং চিকিৎসাধীন থাকার মোজতবা তার পিতার শোক অনুষ্ঠান এবং জানাজায় আসতে পারেননি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় গুরুতর আহত মোজতবা ধীরে ধীরে সেরে উঠছেন বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

‎বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। ধর্মীয় পরিবারে জন্ম নেওয়া খামেনি তরুণ বয়সে কোম ও মাশহাদে ইসলামি শিক্ষা লাভ করেন।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি দ্রুত দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন। ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

এরপর ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় ৩৭ বছর তিনি সেই দায়িত্বে ছিলেন।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)