Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী "ফ্যাকড-ক্যাব মুহাম্মদ উল্লাহ মধুকে সম্পাদক ও সাম্য শাহকে মুখপাত্র করে এমন কথা যারা বলেন তারা সরকার ও সাম্প্রদায়িক শক্তির এজেন্সি...আবদুর রহমান পুনর্বাসন কেন্দ্র বাস্তুহারা,মাদক অপরাধীর নিরাপদ আশ্রয়ের আস্তানা পরিণত হয়েছে শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে ভারত সীমান্তে ২৫০টি অত্যাধুনিক চীনা যুদ্ধযান মোতায়েন করলো...পাকিস্তান ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা কাঁদতে কাঁদতে বোন বললেন, লাশের ওপর উঠে উল্লাস করে তারা এমন দৃশ্য সবাই দেখেছে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের প্যানেলে থাকছেন...সাকিব আল হাসান ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা...ইসি সচিব
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

দেশে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি থাকলে বিদেশে চিকিৎসা খরচ কমবে...স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : রবিবার, ২ আগস্ট,২০২৬, ০৮:৫২ পিএম
দেশে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি থাকলে বিদেশে চিকিৎসা খরচ কমবে...স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশে আন্তর্জাতিক মানের সনদপ্রাপ্ত বা ‘অ্যাক্রেডিটেড’ ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি গড়ে তুলতে পারলে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের দুর্ভোগ কমবে এবং দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

আজ রোববার ০২ আগস্ট  বিকেলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট-এ বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) আয়োজিত এক নীতি-নির্ধারণী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এম এ মুহিত বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান।

কিন্তু দেশের ল্যাবরেটরিগুলোর পরীক্ষার ওপর পর্যাপ্ত আস্থা না থাকায় বিদেশে যাওয়ার পর চিকিৎসকেরা একই পরীক্ষাগুলো আবারও করান।

এতে রোগীদের চিকিৎসার পেছনে বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ ও সময় নষ্ট হয়।

তিনি বলেন, দেশে যদি আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃত ল্যাবরেটরি বাড়ানো যায়, তবে রোগীরা দেশেই মূল পরীক্ষাগুলো করিয়ে নিতে পারবেন, যা তাদের খরচ এক ধাক্কায় অনেক কমিয়ে দেবে।

বর্তমানে দেশে ১০ হাজারের বেশি ল্যাবরেটরি থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি বা অ্যাক্রেডিটেশন রয়েছে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি ল্যাবের।

এই পরিস্থিতি তুলে ধরে এম এ মুহিত বলেন, ল্যাবগুলোর ওপর এখনই জোর জবরদস্তি বা আইনি কড়াকড়ি না চাপিয়ে আগে মালিক ও পরিচালনা পর্ষদকে সচেতন করতে হবে।

ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকেরা যদি বুঝতে পারেন যে, মান ধরে রাখলে মানুষের আস্থা বাড়বে এবং এতে তাদের ব্যবসাও লাভজনক হবে, তবে তারা নিজেরাই এই স্বীকৃতি নিতে উৎসাহী হবেন।

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নানামুখী চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর মান নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত তদারকি চালানো হচ্ছে।

জনগণের আস্থা ফেরানোই এখন মূল লক্ষ্য। তবে শুধু হাসপাতাল বা চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করে স্বাস্থ্যখাত এগোতে পারে না।

খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার দিকে নজর না দিলে ক্যানসার, কিডনি কিংবা লিভারের মতো প্রাণঘাতী রোগ কমানো সম্ভব নয়।

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)