এস এম মিজান ও নুরুল আজিজ চৌধুরী
বিদূৎ বিভাগের সরকারি ঘোষণা এলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি।
ফলে প্রতি মাসেই মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জ ও ভ্যাট পরিশোধ করতে হচ্ছে গ্রাহকদের।
রবিবার (০২ আগষ্ট) বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি এসব চার্জ বহাল থাকায় গ্রাহক দেরমধ্যে চরম অসন্তোষ বাড়ছে। যদিও বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, এ বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
রিচার্জ করলেও কেটে নেওয়া হয় ভ্যাট, ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া বাবদ অতিরিক্ত টাকা।
গ্রাহকদের অভিযোগ, সরকার অতিরিক্ত চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং বিদ্যুতের দাম বাড়ার পাশাপাশি আগের মতোই বিভিন্ন খাতে অর্থ কেটে নেওয়া হচ্ছে।
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ফলে এমনিতে সাধারণ জনগন জীবন যাপনে হিমশিম খাচ্ছে, এরপর সাধারণ গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে বিদুৎ কর্তৃপক্ষ।
রাধানীর ডেমরা সারুলীয়া গ্রাহকরা বলছেন টাকা রিচার্জ করলে বিভিন্ন চার্জ বাবদ কেটে নেয় ডিপিডিসি।
গ্রাহক বলছেন প্রতি রিচার্জেই ডিমান্ড চার্জ, মিটার চার্জ নেওয়া এ কোন অবিচার? গত ২৫ মে সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সে সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছিলেন, জনদুর্ভোগ কমাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কিন্তু গ্রাহকদের দাবি, ঘোষণার পরও বাস্তবে তারা কোনো সুফল পাননি। জুন মাস থেকে বাড়তি বিদ্যুৎ বিলের পাশাপাশি আগের মতোই ভ্যাট, ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া কেটে নেওয়া হচ্ছে।
গ্রাহকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। একদিকে সরকারি ঘোষণায় চার্জ প্রত্যাহারের কথা বলা হলেও অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলো আগের নিয়মেই অর্থ আদায় করছে।
অন্যদিকে কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা সরকারের ঘোষণার বাস্তবায়ন না হওয়া প্রশাসনিক ব্যর্থতা বলছেন।বিদূৎ বিভাগের সূএ মতে, বর্তমানে দেশে ৫ কোটির বেশি বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৮৭ লাখ ৫০ Cards গ্রাহক প্রিপেইড মিটারের আওতায় রয়েছেন।
ডেমরার এক বিদূৎ গ্রাহক রোকেয়া আক্তার শিউলী বলছেন প্রিপেইড মিটার আমাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি সরকারের ঘোষণা বাস্তবায়নে জোরদাবি জানান।