Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী "ফ্যাকড-ক্যাব মুহাম্মদ উল্লাহ মধুকে সম্পাদক ও সাম্য শাহকে মুখপাত্র করে এমন কথা যারা বলেন তারা সরকার ও সাম্প্রদায়িক শক্তির এজেন্সি...আবদুর রহমান পুনর্বাসন কেন্দ্র বাস্তুহারা,মাদক অপরাধীর নিরাপদ আশ্রয়ের আস্তানা পরিণত হয়েছে শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে ভারত সীমান্তে ২৫০টি অত্যাধুনিক চীনা যুদ্ধযান মোতায়েন করলো...পাকিস্তান ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা কাঁদতে কাঁদতে বোন বললেন, লাশের ওপর উঠে উল্লাস করে তারা এমন দৃশ্য সবাই দেখেছে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের প্যানেলে থাকছেন...সাকিব আল হাসান ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা...ইসি সচিব
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ ও ইতিহাস সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান

সাইফুল আলম সরকার,ঢাকা:

প্রকাশ : শনিবার, ১ আগস্ট,২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ ও ইতিহাস সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান

“জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংগ্রামী নারী" অশ্রুর শক্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ ০১ আগস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)তে নারী গ্রন্থ প্রবর্তনার উদ্যোগে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ, আহত, সংগ্রামী নারী-পুরুষ এবং অংশগ্রহণকারীদের আত্মত্যাগ, সাহস ও অবদান যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে রাষ্ট্র ও সমাজকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক উপদেষ্টা শারমিন এস. মুরশিদ, সাবেক উপদেষ্টা এবং নারীগ্রন্থ প্রবর্তনা’র সভাপতি ফরিদা আখতার, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, শহীদ আনাসের মা সানজিদা খান, শহীদ সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয় এর মা সামসি আরা জামান, শহীদ সৈকতের বোন সেবন্তি, শহীদ মো: সোহেলের মা রহিমা বেগম, শহীদ রিদয় এর বড় ভাই ইব্রাহিম এবং তাসলিমা আখতার, গণসংহতি আন্দোলন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উবিনীগের পরিচালক সীমা দাস সীমু। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ গণআন্দোলন, যেখানে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বৈষম্য, নিপীড়ন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অংশগ্রহণ করেন।

এ আন্দোলনে বহু মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন, অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন এবং নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

তাঁদের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও অবদান যথাযথভাবে নথিবদ্ধ ও সংরক্ষণ করতে হবেএকই সঙ্গে শহীদদের পরিচয়, তাঁদের জীবনের গল্প এবং গণঅভ্যুত্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য সংরক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা আরও বলেন, বিশেষ করে

গণঅভ্যুত্থানে সংগ্রামী নারীদের ভূমিকা ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আন্দোলনে নারীরা রাজপথে সরাসরি অংশগ্রহণের পাশাপাশি সংগঠন, সমন্বয়, আহতদের সহায়তা, তথ্য আদান-প্রদান এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

তাঁদের সাহস, নেতৃত্ব, আত্মত্যাগ এবং নেপথ্যের অবদানকে সমান গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করতে হবে।

একই সঙ্গে তাঁদের অভিজ্ঞতা, স্মৃতি ও সংগ্রামের ইতিহাস গবেষণা, প্রকাশনা, মৌখিক ইতিহাস সংরক্ষণ এবং প্রামাণ্য দলিল তৈরির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

বক্তারা বলেন, একটি জাতির ইতিহাস কেবল রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং সেই ইতিহাস গড়ে ওঠে সাধারণ মানুষের ত্যাগ, সংগ্রাম ও আত্মদানের মধ্য দিয়ে।

তাই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণে ব্যক্তি, পরিবার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

নারীগ্রন্থ প্রবর্তনা এর সভাপতি ফরিদা আখতার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘটনা নয়; এটি মানুষের মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

এই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, বিশেষ করে শহীদ ও সংগ্রামী নারী-পুরুষের আত্মত্যাগ, সঠিকভাবে সংরক্ষণ এবং আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীগণ, শহীদ পরিবারের সদস্য, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)