আ জা আন্তর্জাতিক ডেক্স
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজ।
প্রায় এক দশকের সম্পর্কের পর জীবনসঙ্গী জর্জিনাকে বিয়ে করে নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা।
পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, লিসবনের কাছাকাছি কাসকাইস এলাকায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন রোনালদো ও জর্জিনা।
তাদের পাঁচ সন্তানও এই বিশেষ আয়োজনে উপস্থিত ছিল।
বাংলাদেশ সময় গতকাল ১১ আগস্ট মঙ্গলবার রাতে নিজের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে বিয়ের একটি ছবি প্রকাশ করেন রোনালদো।
ছবিতে দেখা যায়, জর্জিনার হাতের ওপর নিজের হাত রেখেছেন তিনি। দুজনের হাতেই ছিল আংটি।
ছবির ক্যাপশনে ‘সি’ ও ‘জি’ লেখার মাঝখানে ভালোবাসার ইমোজি দেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। পোস্ট দেওয়ার মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে ছবিটিতে ৩০ লাখের বেশি লাইক পড়ে।
গত বছরের ১১ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের বাগদানের খবর জানিয়েছিলেন রোনালদো ও জর্জিনা।
সে সময় জর্জিনা বড় একটি আংটির ছবি প্রকাশ করে স্প্যানিশ ভাষায় লিখেছিলেন, ‘হ্যাঁ, আমি রাজি। এই জীবনেও এবং আমার সব জীবনেই।’ এর ঠিক এক বছর পরই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করলেন তারা।
এর আগে রোনালদো-জর্জিনার বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে ফুনশাল ক্যাথেড্রালে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ভিড় জমে যায়।
পরে জানা যায়, সেখানে রোনালদো-জর্জিনার বিয়ে হচ্ছিল না; অন্য এক যুগলের বিয়ের আয়োজন ছিল সেটি। ফুনশাল ক্যাথেড্রাল কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিষয়টি পরিষ্কার করে।
রোনালদোও ওই পোস্টে মজার ইমোজি দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। এদিকে ২৪ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ারে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে রোনালদোর গোলসংখ্যা ৯৭৬।
স্পোর্তিং সিপি দিয়ে ক্লাব ক্যারিয়ার শুরু করা এই ফরোয়ার্ড পরে রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও জুভেন্টাসে খেলেছেন।
বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের আল নাসরের হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন। পর্তুগালের জাতীয় দলের হয়ে ২৩৩ ম্যাচে রোনালদোর গোল ১৪৬টি।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটিই সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। কদিন আগেই পর্তুগালের হয়ে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন এই তারকা।
জর্জিনার জন্ম আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসে। ২০১৬ সালে মাদ্রিদে গুচির একটি শোরুমে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করতেন তিনি। সেই সময় রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় ছিলেন রোনালদো।
সেখান থেকেই দুজনের সম্পর্কের শুরু। প্রায় ১০ বছর পর লিসবনে বিয়ের মধ্য দিয়ে সেই দীর্ঘ সম্পর্ক পেল আনুষ্ঠানিক পরিণতি।