ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ আজকের পত্রিকা ই-পেপার আর্কাইভ কনভার্টার ফটোগ্যালারি
Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী চাকুরী জাতীয়করণ ঐক্যজোটের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী চাকুরী জাতীয়করণ ঐক্যজোটের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী চাকুরী জাতীয়করণ ঐক্যজোটের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন নারী নিয়ে এমপি নজরুলের ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে জামায়াতের বিবৃতি নতুন প্রকল্প দ্রুত সময় নেওয়া হবে,যাতে এ সরকারের আমলে শেষ করা যায়....আবদুল আউয়াল মিন্টু ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের: সচেতনতামূলক সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত গণপূর্ত কর্মচারী ইউনিয়নের ১৫০০ কর্মচারীকে নিয়মিতকরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালা সংশোধনী চূড়ান্ত করতে বৈঠকে ইসি ঢাকার ১২০ মোড়ে চালু হচ্ছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল সড়ক ও জনপদ তারাবো সিএমবি কোয়াটারে গ্যাস-পানির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)
সড়ক ও জনপদ নারায়ণগঞ্জ বিভাগ

সড়ক ও জনপদ তারাবো সিএমবি কোয়াটারে গ্যাস-পানির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আমির হোসেন ও রিয়াদ হোসেন দাউদ নারায়ণগঞ্জ থেকে ফিরে :

প্রকাশ : রবিবার, ১৪ জুন,২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই,২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
সড়ক ও জনপদ তারাবো সিএমবি কোয়াটারে গ্যাস-পানির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সড়ক ও জনপথ বিভাগের তারাবো সিএমবি কোয়ার্টারে অবৈধ গ্যাস ও পানি সংযোগ এবং আবাসিক বাসিন্দাদের কাছ থেকে আদায়কৃত বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের তীর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ আহসান উল্যাহ মজুমদার এবং তার বিশ্বস্ত পিয়ন নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে। ​

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাড়াবো সিএমবি কোয়ার্টারের গ্যাস ও পানি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছেন পিয়ন নুর মোহাম্মদ।

কোয়ার্টারের বাসিন্দা ও ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে প্রতি মাসে গ্যাস ও পানির বিল বাবদ মোটা অঙ্কের নগদ টাকা আদায় করেন তিনি। তবে এই আদায়কৃত টাকার কোনো রসিদ দেওয়া হয় না এবং সরকারি কোষাগারেও তা জমা হয় না।

পুরো টাকার একটি বড় অংশ সরাসরি চলে যায় নুর মোহাম্মদের পকেটে। ​ সরোজমিনে অনুসন্ধানে জানা গেছে, পিয়ন নুর মোহাম্মদের এই লাখ টাকার বাণিজ্য ও অনিয়মের পেছনে মূল খুঁটি হিসেবে কাজ করছেন সড়ক ও জনপথ সওজ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ আহসান উল্যাহ মজুমদার।

তার প্রত্যক্ষ মদদ, প্রশাসনিক আশ্রয় এবং ব্যবস্থাপনার কারণেই নুর মোহাম্মদ দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড নির্ভয়ে চালিয়ে আসছেন।

সাধারণ কর্মচারীরা এই অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গেলে আহসান উল্যাহ মজুমদারের ক্ষমতার দাপট ও বদলির ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না। ​

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোয়ার্টারের এক বাসিন্দা জানান, "প্রতি মাসেই পানির পাম্পের খরচ ২০০ টাকা ও গ্যাসের লাইনের কথা বলে নুর মোহাম্মদ ৭০০ টাকা তোলেন।

আমরা জানি এই টাকা সরকারি ফান্ডে যায় না। কিন্তু প্রকৌশলী স্যারের (আহসান উল্যাহ মজুমদার) ঘনিষ্ঠ লোক হওয়ায় তাকে কিছু বলার উপায় নেই।

প্রতিবাদ করলেই কোয়ার্টার ছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়।" ​এই বিষয়ে জানতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ আহসান উল্যাহ মজুমদারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে অভিযুক্ত পিয়ন মোবাইল ফোনে নুর মোহাম্মদ এই বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে রাজি হননি। ​

সড়ক ও জনপদের এই ধরনের দুর্নীতি অনিয়ম বিরুদ্ধে জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিমের সাথে ফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি মিটিং-এ আছি পরে ফোনে কথা বলবো।

সরকারি সম্পদ ব্যবহার করে ব্যক্তিগত পকেট ভারী করার এই চক্রের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন কোয়ার্টারের সাধারণ বাসিন্দারা।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)