ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ আজকের পত্রিকা ই-পেপার আর্কাইভ কনভার্টার ফটোগ্যালারি
Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আশাবাদী...অর্থমন্ত্রী একাডেমিক স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রেখে গবেষণায় অর্থায়ন বৃদ্ধির আশ্বাস ইউজিসি...চেয়ারম্যান জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ৩ প্রতিষ্ঠানে পুরস্কার প্রদান করেন...তারেক রহমান বিশ্বকাপের রেফারি ঠিক করা হয় যেভাবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য...স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি কিছুটা শ্লথ হলেও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রেখেছে...এডিবি প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনে বগুড়ার উন্নয়ন, তুরস্কের সহায়তায় হবে ড্রোন কারখানা...মীর শাহে আলম চট্টগ্রাম অবৈধভাবে পাহাড় কেটে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি স্থাপন না করার আহ্বান...ভূমি প্রতিমন্ত্রীর তিনটি নতুন উপজেলা গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি আর্জেন্টাইন রেফারিরা দায়িত্বে,অস্বস্তিতে এমবাপ্পে..?
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

চট্টগ্রাম অবৈধভাবে পাহাড় কেটে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি স্থাপন না করার আহ্বান...ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই,২০২৬, ০১:১১ পিএম
চট্টগ্রাম অবৈধভাবে পাহাড় কেটে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি স্থাপন না করার আহ্বান...ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

অবৈধভাবে পাহাড় কেটে বা ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসতি স্থাপন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

বুধবার (০৮ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অতিবৃষ্টি, পাহাড়ধস ও সৃষ্ট দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে সংসদের অধিবেশনে অংশ নিয়ে চট্টগ্রামে এসে বায়েজিদ ও হাটহাজারীর বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করে ত্রাণ বিতরণ করেন।

এরপর রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধস, জলাবদ্ধতা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জানান, নগরীর বায়েজিদে একটি পাহাড়ধসে প্রাণহানি ঘটেছে।

বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কোথাও কোথাও ধসে বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অবৈধভাবে গড়ে উঠা পাহাড়ে বা ঝুঁকিপূর্ণ বাসস্থানে বসবাসের কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটছে উল্লেখ করে তিনি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিন পার্বত্য জেলায় ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর মধ্যে রাঙ্গামাটির জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৫০০ মেট্রিক টন চাল।

পাশাপাশি প্রতিটি জেলার জন্য ২০ লাখ টাকা করে জরুরি সহায়তা পাঠানো হয়েছে।

প্রয়োজন হলে আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে ৩ হাজার ২০০টির বেশি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শুধু রাঙ্গামাটির ২৬০টি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে সমসংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে।

বর্তমানে ২২টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ১ হাজার ৩০০ মানুষ অবস্থান করছেন। টানা বৃষ্টির কারণে এই সংখ্যা আরও বাড়ছে।

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কয়েকটি স্লুইসগেট ঠিকভাবে কাজ না করায় পানি নিষ্কাশনে সমস্যা হচ্ছে। এসব দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন, অন্যথায় জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে না।

বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্যোগকালে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।

প্রশাসন, সেনাবাহিনী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবীদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

এ সময় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়া উদ্দিন এবং জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)