ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আজকের পত্রিকা ই-পেপার আর্কাইভ কনভার্টার ফটোগ্যালারি
Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ১৩৪তম জন্ম দিন আজ মংগলবার ৮ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্টট্রাম্পের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে...রাষ্ট্রপতি ইসরায়েল যুক্তরাজ্যসহ ১২ দেশে অবৈধ বসতির পণ্য নিষিদ্ধ, সিরিয়ায় যুদ্ধপরাধ নিয়ে....জাতিসংঘ দরপত্র ছাড়া এনসিটি হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্র ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে...অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ জেলা নাজির অসুস্থ কামরুল ইসলামের সুস্থতা কামনায় সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা পরিবারের দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হবে দ্বীপ জেলা ভোলাকে...নৌপরিবহনমন্ত্রী অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়”....মনিরুজ্জামান মনি টাকা ছাপতে এক বছরে দ্বিগুণ অর্থ খরচ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০২, মামলা ৭১,
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়”....মনিরুজ্জামান মনি

সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা:

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়”....মনিরুজ্জামান মনি

বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির উদ্যোগে আজ ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রোজ সোমবার সকাল ১১টায় তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হল, জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মনিরুজ্জামান মনির, সভাপতি, বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন- এস,কে বারি, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ রেলওয়ে কারিগরি পরিষদ, আনারুল হক হনি, টিএফ,টিসি, বাংলাদেশ ফ্রী ট্রেড ইউনিয়ন বাংলাদেশ, মাহাবুবুর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক,।

বাংলাদেশ রেলওয়ে কারিগরি পরিষদ, মোঃ শাহাজাহান সরকার, সহ সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ রেলওয়ে কারিগরি পরিষদ, এস কে খোদা তোতন, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন- আজ আমরা এখানে কোনো ব্যক্তির অন্ধ সমর্থনে দাঁড়াইনি। আমরা দাঁড়িয়েছি বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনস্বার্থের পক্ষে।

সাংবাদিক সমাজ রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। তাই আপনাদের সামনে আমাদের বক্তব্য অত্যন্ত পরিষ্কার- “অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়।”

অডিট আপত্তি হলে অবশ্যই তার জবাবদিহি হতে হবে। নথি যাচাই হতে হবে। প্রয়োজন হলে তদন্ত হতে হবে। ভুল বা অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

কিন্তু অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির আগেই সেটিকে দুর্নীতির চূড়ান্ত রায় হিসেবে সংবাদে উপস্থাপন করা হলে জনগণের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে।

কারণ- অভিযোগ, অডিট আপত্তি এবং প্রমাণিত অপরাধ-একটি বিষয় নয়। আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে। আমরা অনিয়মের বিরুদ্ধে। আমরা সরকারি অর্থের অপচয়ের বিরুদ্ধে।

কিন্তু একই সঙ্গে আমরা বিশ্বাস করি- “প্রমাণের আগে কাউকে অপরাধী বানানো যাবে না।”

বিশেষ করে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প নিয়ে যে ১৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের দাবি বিভিন্নভাবে সামনে এসেছে, সেই হিসাবের ভিত্তি জনগণের সামনে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

আমাদের প্রশ্ন- চুক্তিমূল্য, সংশোধিত প্রকল্প ব্যয় এবং প্রকৃত ব্যয়ের পার্থক্যকে যদি সরাসরি ‘অতিরিক্ত ব্যয়’ বলা হয়, তাহলে সেটি কি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে না?

তাই আমরা চাই, এই হিসাব নিয়ে আবেগ নয়-নথি ও তথ্যের ভিত্তিতে সাংবাদিক অনুসন্ধান হোক।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে-একটি বড় রাষ্ট্রীয় প্রকল্প কখনো একজন ব্যক্তি একা পরিচালনা করেন না। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের বিভিন্ন সময়ে একাধিক কর্মকর্তা প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রশাসনিক নথি অনুযায়ী-এস. কে. চক্রবর্তী, সুকুমার ভৌমিক,গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মো. আফজাল হোসেন এবং বর্তমানে নাজনীন আরা কেয়া।

বিভিন্ন সময়ে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাহলে সাংবাদিকদের কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ- যে সময়ে যে কর্মকর্তা দায়িত্বে ছিলেন, সেই সময়ের সিদ্ধান্ত ও ভূমিকা আলাদাভাবে অনুসন্ধান করুন।

কে কাজের পরিমাণ যাচাই করেছেন? কে গুণগত মান প্রত্যয়ন করেছেন? কে বিল ভেটিং করেছেন?

কে অনুমোদন দিয়েছেন? কোন নথির ভিত্তিতে অর্থ ছাড় হয়েছে? এসব প্রশ্নের উত্তর বের হলে প্রকৃত দায়ও পরিষ্কার হবে।

শুধু একজনকে সামনে রেখে পুরো প্রকল্পের দায় নির্ধারণ করা সঠিক হবে না। আমরা কাউকে দায়মুক্তি দিতে চাই না। আবার কাউকে প্রমাণ ছাড়াও অভিযুক্ত করতে চাই না।

আমাদের অবস্থান খুবই সহজ- দোষী হলে ব্যবস্থা নিন। নির্দোষ হলে অপপ্রচার বন্ধ করুন। সম্মানিত সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, বর্তমান মহাপরিচালক প্রসঙ্গেও আমাদের অবস্থান একই।

তিনি আইনের ঊর্ধ্বে নন। তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তদন্ত হোক।

তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু শুধু অডিট আপত্তি, অভিযোগ কিংবা সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত ও নিষ্পত্তির আগেই কাউকে অপরাধী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হলে সেটি শুধু একজন কর্মকর্তার বিষয় থাকে না-এটি প্রশাসনিক সংস্কৃতির বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

তাই আমরা চাই- অডিট আপত্তি খতিয়ে দেখা হোক। জবাব নেওয়া হোক। তদন্ত করা হোক। নিষ্পত্তি করা হোক। দুর্নীতি প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

কিন্তু-“নিষ্পত্তির আগেই অডিট আপত্তিকে দুর্নীতির রায়ে পরিণত করা যাবে না।”

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)