Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

দিল্লি থেকে হুংকার দিয়ে লাভ নেই,সীমান্তে এলেই গ্রেপ্তার...আইনমন্ত্রী আগামীতে জানুয়ারিতে এসএসসি এবং জুনে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে...শিক্ষামন্ত্রী এই ফার্মের মুরগিরাই রাস্তায় নেমেছিল বলেই আপনি শিক্ষামন্ত্রী হয়েছেন ডেমরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চার মাদ্রাসা শিক্ষার্থী দগ্ধ নারায়ণগঞ্জে শব্দ দূষণবিরোধী অভিযানে ৫ যানবাহনকে জরিমানা, ৫টি হর্ন জব্দ সিদ্ধিরগঞ্জে ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, জুয়া ও পুলিশ আইনে ১১ জন আটক ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন বিএনপি জরুর সভা অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগ ৩ দফা দাবি, সায়েন্সল্যাব অবরোধে অচল ধানমন্ডি–নিউমার্কেট, তীব্র যানজট দুই দিন ধরে বর্ষা নামে এক গৃহবধূ নিখোঁজ টেলিভিশন টকশোতে আর অংশ নেবে না...গোলাম মাওলা রনি
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

অসহায় স্ত্রী- শারমিন চৌধুরী সন্তানদের বাচাঁতে সরকারের সহায়তা চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন

সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা:

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই,২০২৬, ১০:২৯ এ এম
অসহায় স্ত্রী- শারমিন চৌধুরী সন্তানদের বাচাঁতে সরকারের সহায়তা চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন

“বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক স্বামী ‘হাফিজ আহমদ চৌধুরী' কর্তৃক ভাড়াটিয়া দ্বারা স্ত্রী- শারমিন চৌধুরীর উপর একে একে তিনবার ধর্ষণ ও নির্যাতনের বর্বরোচিত লোমহর্ষক বর্ণনা” নিজ মুখে বিবরণ দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে সিলেট থেকে আসা অসহায় নির্যাতিতা স্ত্রী- শারমিন চৌধুরী।

গতকাল ১৩ জুলাই সোমবার সকাল ১১.টায় সেগুন বাগিচা, ঢাকায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোটার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) এর ৩য় তলায় এই লোমহর্ষক নির্যাতন ও ধর্ষণের বর্ণনা দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের সামনে প্রথমে প্রজেক্টের এর মাধ্যমে নির্যাতনের কিছু ছবি এবং ভিডিও চিত্র তুলে ধরেন।

তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, অভিযুক্ত বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক স্বামী ‘হাফিজ আহমদ চৌধুরী'র সাথে জোরপূর্বক সম্মতিতে ২০০৭ সালে ডিসেম্বরের ১০/১২/২০০৭ইং তারিখে মুসলিম শরীয়াহ্ অনুযায়ী বিবাহ হয়, ৪/৫ বছর সংসার জীবন অতিবাহিত হওয়ার পরে আমার স্বামীর আসল রূপ বেরিয়ে আসে, সে একজন নারী পিপাসু।

ঠিক তখনই আমি জানতে পারি আমি মা হতে চলেছি। তখন সে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর বাইরে বের হতো এবং রাত ৩/৪ টায় বাসায় আসতো এবং আমাকে বিভিন্নভাবে মানসিক নির্যাতন করতো।

এদিকে আমি সন্তান সম্ভবা হওয়ায় আমার গর্ভের সন্তানের কথা চিন্তা করে সব নির্যাতন নিরবে সইতে থাকি।

অপরদিকে আমাকে বিয়ের আগে সে তার ফুফাতো বোনকে বিয়ে করে, কিন্তু সে অভিযোগ করে আমি তার প্রথম স্ত্রী, এরই মধ্যে ২৬/০১/২০১৩ ইং সালে আমার প্রথম সন্তান ও ২১/১১/২০১৫ সালে আমার দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়।

অপরদিকে সে আরও বে-পরোয়া হয়ে উঠে তার প্রথম স্ত্রী রুকসানা এক পুত্র ও দুই কন্যা সন্তানের জননী।

তিনি আরও বলেন, তার পরকিয়ায় আসক্ত তার স্বামী হাফিজ আহমদ চৌধুরী (পিতা- মৃত আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, গ্রাম খিলাছড়া, ডাকঘর- বাদে দেউলী, থানা- ফেঞ্চুগঞ্জ, জেলা- সিলেট) তিন বছর ধরেই যোগাযোগ রাখছেন না কিন্তু ভাড়াটিয়া দ্বারা আমাকে নির্যাতন করে যাচ্ছেন।

একে একে কিভাবে তিনবার ধর্ষণ ও নির্যাতনের স্বীকার হন তা তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, এমতাবস্থায় আমার ঔরশজাত সন্তানদের তার রক্ষিতা হিসেবে ব্যবহৃত নারী দ্বারা আমার সন্তানদেরকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে।

আমার সন্তানদেরকে আমি মায়ের অধিকার অর্পিত করে ফেরত চাই । এই নারী লিপসু, একাধিক বিবাহিত, রাষ্ট্রদ্রোহী, আন্তর্জাতিক প্রতারককে প্রশাসনের মাধ্যমে বিচার করে আমার ক্ষয়-ক্ষতি ও আমার দুই পুত্রকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া এর নিকট সুবিচারের আকুল আবেদন করছি।

উল্লেখ থাকে যে, তার পূর্বের বিয়ে ও প্রতারণার বিবরণ নিম্নে সংক্ষেপে কিছু বর্ণনা করা হলো ।

প্রতারণা- ১। হাফিজ প্রথমে ব্রিটিশ পাসপোর্ট এ মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ নামটি ব্যবহার করে সে তার ফুফাতো বোনকে বিয়ে করে লন্ডনে যায়। নারী লিপসার কারণে তার প্রথম সংসারের ইতি ঘটে।

২। হাফিজের প্রথম স্ত্রীর সাথে সংসারের ইতি ঘটলে, সু-কৌশলে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি/জমিজমা দিয়ে সিলেট সাউথ ইস্ট ব্যাংক থেকে ২০০৪ সালে ১৫ লক্ষ টাকা তুলে নেয়, তার ভাই বাংলাদেশে বসবাসকারী গুফরান চৌধুরী ও আব্দুল হাসিব চৌধুরী ২০০৬ সালে আমার ভাই সেটা ছাড়িয়ে দিতে বললে গুফরান চৌধুরী আমার ভাইকে হত্যার হুমকি দেয়।

এক সপ্তাহ পর গুফরান চৌধুরী সড়ক দূর্ঘটনার মারা যায়, পরবর্তীতে আমরা লন্ডনে বসবাসকারী গুফরানের ভাই হাফিজকে জানালে সে প্রথমে আশ্বস্ত করে, কিছুদিন পরে তার কু-নজরের শিকার হই আমি।

যদি দিতে হয় তবে হাফিজ বলছে সে ছাড়িয়ে দিবে কিন্তু আমার তাকে বিয়ে করতে হবে এই শর্তে। প্রথমে তার ভাইরা আমার আম্মা, বড় আপুকে পারিবারিকভাবে প্রস্তাব দিলে ‘মা’ ও বড় আপু বিয়ের প্রস্তাবে রাজী হননি।

তখন হাফিজ সাফ জানিয়ে দেয় আমাদের সম্পত্তি লোন থেকে ছাড়িয়ে দিবে না । আমার মা গুরুতর অসুস্থ থাকায় এবং আমরা পথে বসে যাব সেই ভয়ে অবশেষে বিয়েতে রাজী/সম্মতি দেই।

পরে আমাদের সম্পত্তি ছাড়ানোর আগে হাফিজ আমার কথায় পুরোটা বিশ্বাস না করে তাকে পরীক্ষা দিতে হবে। বলে আমাকে লোনের বিষয়টা নিয়ে জিম্মি করে আগে ধর্ষণ করে, পরবর্তীতে আমি বাধ্য হয়ে এই নরপিশাচ নারী পিপাসু হাফিজের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই পারিবারিকভাবে ।

অতঃপর ধর্ষণের পর আমাকে আমাদের সম্পত্তি লোন থেকে ছাড়িয়ে দেয় । বিয়ের সময় হাফিজ তার পাসপোর্ট এর নাম লুকিয়ে হাফিজ আহমদ চৌধুরী নামে আমাকে বিয়ে করে এটাই তার দ্বিতীয় প্রতারণা ।

এছাড়া সে একজন আন্তর্জাতিক প্রতারক। সে তিন বার নাম পাল্টে পাসপোর্ট করেছে। এবং হাফিজ আহমদ চৌধুরী কর্তৃক স্বামী-স্ত্রী-সন্তানদের ক্লোজ ছবি এবং বিভিন্ন কু-কর্মের তথ্য ও প্রমাণ প্রজেক্টের এর মাধ্যমে তুলে ধরেন।

সে এবং তার পরিবার অসহায় এবং নিরাপত্তাহীননতায় ভুগছেন। স্থানীয় অনেক প্রভাবশালী নেতা তার সাথে জড়িত রয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)