আ জা ডেক্স
হাসান মাহমুদের গতির সামনে শেষ পর্যন্ত দাঁড়াতে পারল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩৫৬ রানেই অলআউট হয়েছে ক্যারিবীয়রা।
বাংলাদেশের হয়ে একাই ৬ উইকেট শিকার করেছেন হাসান।
টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো ইনিংসে ছয় উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করলেন এই পেসার।
তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস শেষ করার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে।
তবে শেষ দুই উইকেট নিতে বেশ বেগ পেতে হয় স্বাগতিক বোলারদের।
জোমেল ওয়ারিক্যান ও জেইডেন সিলসের দৃঢ়তায় শেষ উইকেট জুটিতে আসে ৩৩ রান।
লাঞ্চের পর প্রথম ওভারেই শামার জোসেফকে ফিরিয়ে নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন হাসান মাহমুদ।
ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে ব্যাটের কানা এড়িয়ে বল সরাসরি আঘাত করে স্টাম্পে।
১৮ বলে ১৬ রান করে ফেরেন জোসেফ। এর মধ্য দিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো ছয় উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন হাসান।
এরপর শেষ উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন ওয়ারিক্যান ও সিলস। ৬৭ বলে ৩৩ রান যোগ করেন তারা। শেষ পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সিলস।
রিভিউ নিয়েও সিদ্ধান্ত বদলাতে পারেননি তিনি। ৩৮ বলে ১৫ রান করেন এই পেসার।
অন্য প্রান্তে ৪৮ বলে চারটি চারে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন ওয়ারিক্যান।
এর আগে প্রথম দিন নতুন বলে দুর্দান্ত বোলিং করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টপ অর্ডারে ধস নামিয়েছিলেন বাংলাদেশের পেসাররা।
তবে আমির জাঙ্গু ও জাস্টিন গ্রিভসের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। জাঙ্গু খেলেন ১৩৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস।
গ্রিভস করেন ৫১ রান। এ ছাড়া কেভিন উইকহ্যামের ব্যাট থেকে আসে ৬১ এবং জশুয়া বিশপ করেন ২৩ রান।
বাংলাদেশের হয়ে ৯০ রান খরচায় ৬ উইকেট নিয়েছেন হাসান। তাসকিন ও মিরাজের শিকার দুটি করে। তাইজুল ইসলাম ও নাঈম হাসান কোনো উইকেট পাননি।
এই ছয় উইকেট শিকারের মধ্য দিয়ে আরও দুটি কীর্তি গড়েছেন হাসান। টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে স্টাম্পিংয়ের মাধ্যমে উইকেট নেওয়ার নজির গড়েছেন তিনি।
পাশাপাশি নাথান লায়নের পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে পাঁচটি ভিন্ন দেশে নিজের প্রথম পাঁচ উইকেটের কীর্তিও অর্জন করেছেন এই পেসার।