আ জা ডেক্স
দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন সহ বিশিষ্ট জনদের চিকিৎসার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রয়োজনে সব সময়ই নিজ উদ্যোগে অর্থ যোগান দিয়েছেন।
আজ যদি শেখ হাসিনার সরকার থাকতো, তবে কায়সার হামিদকে তার মেয়ের জন্য সবার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করতে হত না।
বাংলাদেশের বিখ্যাত দাবারু রানী হামিদের নাতনী হিসাবে সরকারী ত্রান তহবিল থেকে নেত্রী চিকিৎসা খরচ দিতেন।
ছবির মানুষগুলো আওয়ামী বিরোধী ছিল। তবুও শেখ হাসিনা যার যেটা দরকার হয়েছিল, দিয়েছিলেন।
ছোট্ট একটি তালিকা দিলাম, যতটুকু আমি জানি। এর বাইরেও আছে :-- ১. চলচ্চিত্র অভিনেতা খলিল, যিনি বিএনপির সমর্থক ছিলেন। নেত্রীর থেকে চিকিৎসার জন্য বড় অংকের টাকা পেয়েছিলেন।
২. চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন, ১৯৭৫ এর পর খুনি ডালিমের ভাষন প্রচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে এই অভিযোগ ছিল তার নামে।
তার চিকিৎসার জন্যও নেত্রী মোটা অঙ্কের চেক দিয়েছিলেন।
৩. কুদ্দুস বয়াতী, শেখ হাসিনার নামে অনেক কটুক্তি করেছিল। তবুও নেত্রী তার চিকিৎসার খরচ দিয়েছেন।
৪. হেলাল হাফিজ, ৫ই আগস্টের পর তার ফেসবুক পোস্ট সবাই দেখেছি। আগে থেকেই সে আওয়ামী বিরোধী ছিল। নেত্রী তারও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
৫. "হাসিনা: এ ডটার'স টেল"-- সিনেমার নির্মাতা পিপলু খানের চিকিৎসার জন্য নাকি ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন নেত্রী।
অথচ ৫ই আগস্টের আগে থেকেই সে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের লাল-বিপ্লবীদের নেতৃত্ব দিয়েছে।
৬. সংগীত শিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ, তার একটি গান জিয়াউর রহমান তাদের দলীয় সঙ্গীত হিসাবে চালু করেছিলেন। সেই থেকে তাকে বিএনপির সমর্থক হিসাবে গন্য করা হত।
১৯৯৬ সালে নেত্রী তাকেও চিকিৎসার জন্য টাকা দিয়েছিলেন। অর্থ সাহায্য ছাড়াও দল মত নির্বিশেষে যে যেমন আবদার করেছে, তাদের পদক দিয়েছেন।
৭. আবুল হায়াত আবদার করেছিল স্বাধীনতা পদক। নেত্রী দিয়েছিলেন। অথচ সে প্রকাশ্যে আওয়ামীলীগ ও বঙ্গবন্ধুর নিন্দুক ও সমালোচক হিসাবে পরিচিত।
৮. গাজী মাজারুল আনোয়ার, বিএনপির সক্রিয় রাজনীতিবিদ। স্বাধীনতা পুরস্কার এর আবদার করেছিল। নেত্রী দিয়েছিলেন।
৯. বিএনপির সাবেক স্পীকার জমির উদ্দিন সরকার, শারীরিক অসুস্থতার কারনে কোর্টে মামলার হাজিরা দিতে অপারগ দাবী করেছিল। নেত্রী তাকে আইনী জটিলতার হয়রানী লাঘব করে দিয়েছিলেন।
১০. খল অভিনেতা আহমেদ শরীফ দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন, তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন শেখ হাসিনা, কিন্তু তিনি বরাবরই বিএনপির রাজনীতির ঘরনার লোক, তারপরও প্রশ্নের জবাব কোথায়?
শেখ হাসিনার সমালোচনা যারা করে, তাদের ভিতরের মানবিক আত্মা মরে গেছে।
তার সমালোচনা করার অধিকার যেমন সবাই রাখে ; তেমনই তার কৃতিত্ব, দেশপ্রেম, বিচক্ষনতা, মানুষের প্রতি সমান ভালোবাসার জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দায়িত্বটুকুও থাকা দরকার। শেখ হাসিনা দীর্ঘজীবি হন জয়বাংলা। Rf copy Abulbasher Mamtaz। ফেসবুক থেকে নেয়া।