ওমর ফারুক রনি, মাধবী নরসিংদী
নরসিংদী মাধবদীতে নিখোঁজের একদিন পর যুবক দিগন্ত (২৭)-এর মরাদেহ উদ্ধার এবং এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাধবদী থানা পুলিশ ও নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
নিহত দিগন্ত দক্ষিণ বিরামপুর, থানা-মাধবদী, জেলা-নরসিংদীর বাসিন্দা।
তার পিতা শফিকুল ইসলাম এবং মাতা সেলিনা আক্তার। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৮ জুন বিকেলে দিগন্ত বাড়ি থেকে বের হন।
রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
স্থানীয়ভাবে তিনি পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেলেও এ বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরদিন ২৯ জুন সকাল আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে মাধবদী থানাধীন মহিষাশুড়া ইউনিয়নের মার্কাজ মসজিদের পাশে একটি ময়লার স্তূপ থেকে দিগন্তের ম/রদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ম/রদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নি/হতের মা সেলিনা আক্তার বাদী হয়ে মাধবদী থানায় একটি হ/ত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় ০৩ জুলাই মাধবদী থানা পুলিশ ও নরসিংদী জেলা ডিবি পুলিশের একটি যৌথ দল মাধবদী থানাধীন পাইকারচর ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় হ/ত্যাকা/ণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— ১. সেলিম মিয়া ওরফে "কু/ত্তা সেলিম" (৪২), পিতা: মৃত হোসেন আলী, মাতা: মৃত হাসনেয়ারা, সাং: বটেরকান্দি, থানা: মাধবদী, জেলা: নরসিংদী। ২. রমজান আলী (২৬), পিতা: মোহাম্মদ আলী, মাতা: নাসিমা আক্তার, সাং: চর ভাসানিয়া, থানা: মাধবদী, জেলা: নরসিংদী।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা হ/ত্যাকা/ণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
তবে এই বক্তব্যের সত্যতা আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে যাচাই হবে।
হ/ত্যাকা/ণ্ডের পেছনের কারণ এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা জানতে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।