নিজস্ব প্রতিবেদক নারায়ণগঞ্জ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহাম্মাদ শাহজালাল মিয়া জনগণের সেবায় সময়ের যথাযথ ব্যবহার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান এবং দল-মতনির্বিশেষে সবার জন্য সমান নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন।
সম্প্রতি ‘সোনারগাঁ টাইমস’ নামের একটি ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়।
প্রতিশ্রুতিতে শাহজালাল মিয়া বলেন, মহান আল্লাহ তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিলে তিনি সততা, দায়িত্বশীলতা ও আমানতদারির সঙ্গে জনগণের সেবা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহারের অঙ্গীকার:
শাহজালাল মিয়া বলেন, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সরকার নির্ধারিত কর্মঘণ্টার প্রতিটি মুহূর্ত জনগণের সেবায় ব্যয় করার চেষ্টা করবেন।
নির্ধারিত সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপস্থিত থেকে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করবেন, যাতে সেবা নিতে এসে কোনো মানুষ দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য না হন।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন থাকার ঘোষণা:
দুর্নীতিকে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম অন্তরায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের আমানত রক্ষা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতিমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করাকে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।
ব্যক্তিস্বার্থের পরিবর্তে জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
রাজনৈতিক পরিচয় নয়, নাগরিক অধিকারই হবে অগ্রাধিকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে বৈষম্যহীন নাগরিক সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন শাহজালাল মিয়া।
তাঁর ভাষ্য, ইউনিয়ন পরিষদ কোনো নির্দিষ্ট দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির প্রতিষ্ঠান নয়; এটি ইউনিয়নের সব নাগরিকের।
তিনি অঙ্গীকার করেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ কিংবা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে সবাইকে সমান, ন্যায়সংগত ও সম্মানজনক নাগরিক সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
এমনকি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থক ও কর্মীরাও ইউনিয়ন পরিষদে তাঁদের প্রাপ্য সেবা ও সম্মান পাবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ক্ষমতা নয়, জনগণের সেবক হতে চান:
শাহজালাল মিয়া মনে করেন, চেয়ারম্যান হওয়া মানে ক্ষমতার অধিকারী হওয়া নয়; বরং জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করা।
জনগণের ভালোবাসা, বিশ্বাস ও সহযোগিতায় একটি সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত ও জনকল্যাণমুখী পিরোজপুর ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির শেষাংশে তিনি জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেন।
পাশাপাশি শুধু প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।