ডি এম মাসুদ,নারায়ণগঞ্জ থেকে
নারায়ণগঞ্জ প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের স্বস্তি কেড়ে নিয়েছে এক চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট।
স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাখাওয়াত হোসেন রানার অনুসারী চাদাবাজ বাহিনীর বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে সেখানে স্বাভাবিক বাণিজ্য পরিচালনা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
চাঁদাবাজির কৌশল ও আর্থিক চিত্র** শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে চা, ফুচকা, ফাস্টফুড ও কেকের দোকানসহ প্রায় ৫০টি অস্থায়ী দোকান থেকে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করা হয়।
দৈনিক চাঁদা:** প্রতিটি দোকান থেকে সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা বাধ্যতামূলক আদায় করা হয়।
নতুন দোকানের পজিশন:** নতুন কোনো দোকান বসাতে হলে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত এককালীন দিতে হয়।
মাসিক সংগ্রহ:** এই সিন্ডিকেট প্রতি মাসে প্রাঙ্গণটি থেকে আনুমানিক সাড়ে ৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
মূল সংগ্রাহক:** ব্যবসায়ী মহল জানায়, রানার অনুসারী পাপ্পু, মোস্তফা ও কাশেম সরাসরি মাঠে থেকে টাকা আদায় করে।
জুলুম ও ভীতি প্রদর্শন** চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শারীরিক নির্যাতনের হুমকি দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত রানার বিরুদ্ধে পূর্বে ইসদাইরে শুভ নামক এক যুবককে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
তার বিশাল বাহিনীর কারণে এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সচেতন মহলের দাবি:
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিএনপির দায়িত্বশীলদের নীরবতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা দিতে দ্রুত এই চাঁদাবাজ চক্র ও তাদের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্যের জন্য শাখাওয়াত রানার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।