ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ আজকের পত্রিকা ই-পেপার আর্কাইভ কনভার্টার ফটোগ্যালারি
Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

রপ্তানি বহুমুখী কারণে ২০ সম্ভাবনাময় বাজার চিহ্নিত করেছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১০:৫৬ পিএম
রপ্তানি বহুমুখী কারণে ২০ সম্ভাবনাময় বাজার চিহ্নিত করেছে সরকার

তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে আরও বিস্তৃত করতে ২০টি দেশকে সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে চিহ্নিত করেছে সরকার।

এসব দেশে নতুন পণ্য ও সেবা রপ্তানির সুযোগ, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর অবস্থান পর্যালোচনা করে বাজারভিত্তিক কৌশল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চিহ্নিত দেশগুলো হলো—যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জাপান, চীন, ভারত, কানাডা, বেলজিয়াম, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, ইরান, ব্রাজিল, তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ফিজি।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ‘বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ কৌশল: ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য গন্তব্যে পণ্য ও বাজারের বৈচিত্র্য’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে সম্ভাব্য নতুন বাজার নিয়ে এ উদ্যোগের তথ্য জানা গেছে।

কর্মশালায় নির্বাচিত বাজারগুলোর সম্ভাবনা, বিদ্যমান বাধা, প্রতিযোগী দেশগুলোর অবস্থান এবং বাংলাদেশের করণীয় নিয়ে বিশ্লেষণের কথা জানানো হয়।

এসব বিশ্লেষণের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত রপ্তানি বহুমুখীকরণ কৌশলপত্র তৈরির পাশাপাশি প্রতিটি বাজারের জন্য আলাদা কৌশলপত্র প্রণয়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), ওয়ালটন গ্রুপ, বাংলাদেশ অ্যাগ্রোপ্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতিসহ বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

তাঁরা রপ্তানি সম্প্রসারণে নিজেদের প্রস্তাব তুলে ধরেন।

কর্মশালা শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তৈরি পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ, ইলেকট্রনিকস, কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অন্যান্য সেবা খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা।

তাঁরা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক গন্তব্যগুলোকে কেন্দ্র করে সমন্বিত কৌশল নেওয়া গেলে বাংলাদেশের রপ্তানির ভিত্তি আরও বিস্তৃত করা সম্ভব।

একই সঙ্গে নতুন পণ্য ও বাজার তৈরি, বিদ্যমান বাজারে অংশীদারত্ব বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদে বহুমুখী ও টেকসই রপ্তানি কাঠামো গড়ে তুলতেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানিকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে পণ্য ও বাজার—দুই ক্ষেত্রের বৈচিত্র্যকরণকেই সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে পণ্যের পাশাপাশি সেবা রপ্তানিতেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি, দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতি ও সক্ষমতাবর্ধক সেবা খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সারদের বিকাশেও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে উৎপাদন ও সেবা খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি বাড়াতে হবে। 

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)