নিজস্ব প্রতিবেদক
বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর জ্বালানি আমদানিতে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি আমদানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।
সোমবার, ২০ জুলাই সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি) আয়োজিত ‘উন্নয়নের কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়ে এবং দেশের অর্থনীতিতে।
পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সমুদ্রসীমা অর্জনের কৃতিত্ব থাকলেও সামুদ্রিক জ্বালানি সম্পদের অনুসন্ধান ও উত্তোলনে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি।
অথচ প্রতিবেশী কয়েকটি দেশ এ ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জ্বালানিমন্ত্রী জানান, সমাজকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে উন্নয়ন সহযোগীদের আরও বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
এ লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক পর্যায়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে চলতি অর্থবছরের বাজেটে কর-সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে, যাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার আরও বিস্তৃত হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমাজকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য বাস্তবায়নকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।