ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার ● ২৬ মে ২০২৬ , ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ আজকের পত্রিকা ই-পেপার আর্কাইভ কনভার্টার ফটোগ্যালারি
×
শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম: আমাদেরজাগরণ নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে সিএমপি কমিশনার, অতিরিক্ত হাসিল আদায়ে কঠোর হুঁশিয়ারি আমাদেরজাগরণ কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গুলি,কেউ হতাহত হয়নি আমাদেরজাগরণ এম তৌহিদ হোসেন ‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনেই অংশ নিতে পারে’ আমাদেরজাগরণ কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন আমাদেরজাগরণ রাজধানীর কল্যাণপুরে চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট আমাদেরজাগরণ লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনা,তাঁবুতে বাংলাদেশী হাজীদের খোঁজ নিলেন...ধর্মমন্ত্রী আমাদেরজাগরণ নারায়ণগঞ্জ মিশন পাড়ায় ৩ সাংবাদিকসহ ও পথচারী আহত আমাদেরজাগরণ ভুয়া ট্রাফিক জরিমানার এসএমএসে আতঙ্ক, সতর্কবার্তা সহ ফোন নান্বার দিলেন ডিএমপির আমাদেরজাগরণ সমালোচনার মুখে বেতারের,ড্রেস কোড’ সংক্রান্ত আদেশ বাতিল আমাদেরজাগরণ কমলাপুরে ঈদ যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)
কংগ্রেসের ব্যর্থতার জেরে
যুক্তরাষ্ট্রে শাটডাউন,চাকরি হারাতে পারেন সাড়ে সাত লাখ কর্মী
প্রকাশ : শুক্রবার, ৩ অক্টোবর , ২০২৫, ০২:৩৩:০০ পিএম
আ জা আন্তর্জাতিক ডেক্স:
Amader Jagaran_2025-10-03-68df8c2c27fd9.jpg

যুক্তরাষ্ট্রে শাটডাউন চাকরি হারাতে পারেন সাড়ে সাত লাখ কর্মী একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট পাসে কংগ্রেসের ব্যর্থতার জেরে যুক্তরাষ্ট্রে ফের কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা প্রভাব ফেলতে পারে লাখো সরকারি কর্মীর জীবনে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় সমঝোতার পথ খুঁজে না পাওয়া গেলে খুব শিগগিরই বাধ্যতামূলক ছুটিতে যেতে পারেন প্রায় সাড়ে সাত লাখ ফেডারেল কর্মচারী। বিবিসির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বাজেট বিষয়ে কংগ্রেসে চলমান মতানৈক্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার তার অ-অত্যাবশ্যক কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করতে বাধ্য হতে পারে।

এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সাধারণ সরকারি কর্মীরা, যাদের মধ্যে অনেকেই ছুটিতে পাঠানো হলেও কোনো বেতন পাবেন না। তবে অতীতে দেখা গেছে, শাটডাউন শেষ হলে আইন পাসের মাধ্যমে এসব কর্মীদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়ে থাকে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরণের অচলাবস্থা শুধু সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনে অনিশ্চয়তা আনবে না, বরং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সরকারের ব্যয়ক্ষমতা হ্রাস পেলে নাগরিক সেবা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বাজারেও এর প্রভাব পড়বে।

এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, সংকট থেকে উত্তরণে কংগ্রেসে দ্রুত সমঝোতা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। রাজনৈতিকভাবে এই অচলাবস্থার জন্য দুই পক্ষ একে অপরকে দায়ী করছে।

সাত বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো এমন শাটডাউনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছালেও এখন পর্যন্ত কংগ্রেস কার্যকর কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। গত বুধবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিটের পাশে বিরলভাবে উপস্থিত হন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এ সময় ভ্যান্স বলেন, "ডেমোক্রেটরা রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই আমাদের এই পরিস্থিতিতে ফেলেছে।" বিবিসির আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে বহু সরকারি সংস্থা কংগ্রেস অনুমোদিত বার্ষিক বাজেটের ওপর নির্ভরশীল। প্রতি অর্থবছরের শুরু ১ অক্টোবরের আগে এসব সংস্থা তাদের বাজেটের প্রস্তাব জমা দেয়, যা কংগ্রেসে পাস হয়ে প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের পর কার্যকর হয়।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে শুরু হয় তথাকথিত শাটডাউন, যাতে অপ্রয়োজনীয় বিবেচিত কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয় এবং জরুরি সেবা সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটে। লেভিট জানিয়েছেন, "শাটডাউনের কারণে মাত্র দুই দিনের মধ্যেই ব্যাপক হারে ছাঁটাই শুরু হবে।" তার দাবি, ডেমোক্রেটদের অব্যবস্থাপনাই এই সঙ্কটের জন্য দায়ী। অন্যদিকে, সরকারের ব্যয় সচল রাখতে রিপাবলিকানরা একটি স্বল্পমেয়াদি ‘স্টপগ্যাপ’ ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছে, যা আগামী নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এবং ততদিন পর্যন্ত বর্তমান হারে ব্যয় বজায় রাখবে।

তাদের মতে, দরিদ্র আমেরিকানদের জন্য স্বাস্থ্যসেবায় সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাজেট নিয়ে দরকষাকষির জন্য এই অস্থায়ী সমাধান দরকার। রিপাবলিকানদের অগ্রাধিকার অবশ্য বাজেট চুক্তি নয়, বরং সরকার সচল রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য বলে জানায় বিবিসি। তবে কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকা সত্ত্বেও বাজেট বিল পাস করাতে তারা প্রয়োজনীয় ৬০ ভোট নিশ্চিত করতে পারেনি।

শাটডাউনের সময় জরুরি সেবার সঙ্গে যুক্ত যেমন সীমান্তরক্ষী, সেনা সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরকে কোনো বেতন ছাড়াই কাজ চালিয়ে যেতে হবে। অন্যদিকে অ-অত্যাবশ্যকীয় বিভাগগুলোর কর্মীদের পাঠানো হবে বিনা বেতনের ছুটিতে। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস, আসন্ন এই শাটডাউন হতে পারে ২০১৮ সালের তুলনায় অনেক বড়। তখনও কংগ্রেস আংশিক তহবিল অনুমোদন করেছিল। এবারও পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে, অনুমান করা হচ্ছে প্রায় ৪০ শতাংশ ফেডারেল কর্মচারী, অর্থাৎ প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার মানুষ সাময়িকভাবে কর্মহীন হয়ে পড়বেন। ইতোমধ্যেই কিছু কর্মীকে ছুটিতে পাঠানো শুরু হয়েছে। এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফেডারেল কর্মীদের স্থায়ী ছাঁটাইয়ের হুমকিও উঠে এসেছে। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অননুমোদিত অভিবাসীদের ফেডারেল ভর্তুকিযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

আগামী শুক্রবার রিপাবলিকানদের প্রস্তাবিত স্বল্পমেয়াদি অর্থায়ন পরিকল্পনার ওপর ফের ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা হয়তো শাটডাউন এড়াতে শেষ সুযোগ হতে পারে।

আরও খবর

Ad for sale 225 x 270 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
🔝